পোস্টগুলি

মৃত্যু নিয়ে ইসলামিক বাণী ও উক্তি

ছবি
  মৃত্যু নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক উক্তি ও বানী নিচে উল্লেখ করা হলো "এমন এক সময় আসবে যখন মানুষের অন্তর মরে যাবে অথচ দেহ জীবিত থাকবে।" -[ সুফিয়ান সাওরী (রহ.)] "কত বোকা সেই ব্যক্তি, যে জানে না তার মৃত্যু কখন হানা দেবে, কিন্তু এখনো সে এর সাথে সাক্ষাতের জন্যে প্রস্তুত নয়।" -[ইবনে জাওযী (রহ.)] "নিকৃষ্ট তো সেই মৃতব্যক্তির পরিবারের মানুষগুলো, যারা মৃত মানুষটির জন্য কান্নাকাটি করে অথচ তার রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধ করে না।" -ইমাম আল-হাসান আল-বাসরি [জায ফিহি কালাম 'আলা হাদিস : ইয়াত্তাবিউ আল-মাইয়্যিতা সালাসান, পৃ ২৪] "মৃত্যুকে ভয় পাওয়া মানে তা থেকে পালিয়ে বেড়ানো নয়, বরং মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেয়া।" "জন্মের পর একমাত্র নিশ্চিত বিষয়টা হলো মৃত্যু। অথচ আমরা এটার ব্যাপারেই সবচেয়ে বেশি বেখবর।" "হতভাগা সেই যে মরে যায় অথচ তার পাপকর্মগুলো রয়ে যায়।" "মৃত্যু যখন সুনিশ্চিত তা আল্লাহর রাস্তায় হওয়াই শ্রেয়।" "তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও।" -[...

ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা

ছবি
  ১. মৃত্যুর পর নেককার বান্দাদের রূহ যে জায়গায় থাকে তার নাম কি? উ: ইল্লিয়্যীন। ২. আল্লাহর আরশের নিচে কোন জান্নাত অবস্থিত? উ: জান্নাতুল ফিরদাউস। ৩. জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত কি? উ: আল্লাহর দিদার। ৪. জাহান্নামের সবচেয়ে হালকা আযাব কার হবে? উ: নাবী (সা) এর চাচা আবু তালিবের। ৫. জাহান্নামের দারোগার নাম কি? উ: মালিক। ৬. কুরআনের সর্বপ্রথম আদেশ কি? উ: পড়। ৭. কোন সূরা পাঠ করলে ঘর হতে শয়তান পলায়ন করে? উ: সূরা বাক্বারাহ। ৮. কুরআনুল কারীমের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত কোনটি? উ: আয়াতুল কুরসী (সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত) ৯. কুরআনুল কারীমে মোট কয়জন নবীর নাম উল্লেখ হয়েছে? উ: ২৫ জন। ১০. কুরআনুল কারীমে কোন নবীর নাম সবচেয়ে বেশী উল্লেখ হয়েছে? উ: মূসা (আ)। ১১. কোন সূরার অপর নাম 'সূরা ফুসসিলাত'? উ: সূরা হা-মীম সাজদাহ্। ১২. জাহান্নামের ফেরেশতা কয়জন? উ: ১৯ জন। ১৩. জাহান্নামের আগুনের রঙ কি? উ: কালো। ১৪. কোন সাহাবীর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল? উ: সা'দ বিন মুআয (রা)। ১৫. জান্নাতের সুগন্ধ কত দূূরের পথ থেকে পাওয়া যাবে? উ: ১০০ বছরের পথ থেকে। ১৬. কয়টি উটের যাকাত ফরয? উ: ৫ টি। ১৭. কয়টি গরুতে যাকাত ফরয? ...

ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা

ছবি
১/ পবিত্র কুরআনুল কারীমের সবচেয়ে ছোট সূরা কোনটি? উ: সূরা কাউছার। ২/ পবিত্র কুরআনুল কারীমের সবচেয়ে বড় আয়াত কোনটি? উ: সূরা বাকারার ২৮২ নং আয়াত। ৩/ সপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয় কোন দিনটি কে? উ: জুমুআর দিন। ৪/ মানবজাতির মধ্যে প্রথম হত্যাকান্ডের প্রচলন করেন কে? উ: কাবিল। ৫/ ইসলামের প্রথম মুআযযিন কে? উ: বিলাল (রা:)। ৬/ দুনিয়ায় থাকতেই জান্নাতের সু-সংবাদ প্রাপ্ত সাহাবীর সংখ্যা কতো? উ: ১০ জন। ৭/ দাজ্জালের কোন চোখটি কানা হবে? উ: ডান চোখ। ৮/ কুরআনের চূড়া বলা হয় কোন সূরা কে? উ: সূরা বাকারা কে। ৯/ জান্নাতী নারীদের সর্দার কে হবেন? উ: ফাতিমা (রা:)। ১০/ জান্নাতে কাদের সংখ্যা বেশি হবে? উ: দরিদ্রদের। ১১/ জাহান্নামে কাদের সংখ্যা বেশি হবে? উ: নারীদের। ১২/ কোন দুই মুসলিম বাদশাহ পুরো পৃথিবী শাসন করেছেন? উ: সুলায়মান (আ:) ও জুলকারনাইন। ১৩/ OIC এর সদর দপ্তর কোথায়? উ: জেদ্দায়। ১৪/ বর্তমান হিজরী সন কতো? উ: ১৪৩৯। ১৫/ কোন সাহাবী (রা:) হিজরী সন গণনা প্রবর্তন করেন? উ: উমার (রা:)। ১৬/ ঈমানের শাখা কতোটি? উ: সত্তর এর অধিক। ১৭/ বিদআত কাকে বলে? উ: ইবাদাতের নামে নতুন কিছু সৃষ্টি করলে। ১৮/ জান্নাতে মানুষের বয়স কতো হবে? উ: ৩৩। ...

নামাজ শিক্ষা -পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরার নিয়ম ও দুয়া [Namaj Shikkha]

ছবি
  নামাজ শিক্ষা নামাজ শিক্ষা – পাঁচ নামাজ পরার নিয়ম ও দুয়া [Namaj Shikkha] নামাজঃ – নামাজ হচ্ছে ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। নামাজ পডতে গেলে অজু ও গোসলের একান্ত প্রয়োজন। কারণ দেহ পাক-সাফ না থাকলে কোন প্রকার ইবাদত-বন্দেগী করা চলে না। অজু এবং গোসল দ্বারা অঙ্গ শুদ্ধ করতে হয়। অজু গোসলের জন্য পানি আবশ্যক। উচ্চারণঃ- নাওয়াইতুল্ গুস্‌লা লি-রাফ্‌য়িল জানাবাতি। অর্থঃ- নাপাকি দূর করবার জন্য গোসলের নিয়েত করছি। গোসলে ফরজ তিনটিঃ- কুল্লি করা নাকের ভিতর পানি দেওয়া, সর্বশরীর উত্তমরূপে ধোওয়া স্ত্রীলোকের গহনা পরিধান ছিদ্রে এবং তার নীচে পানি প্রবেশ না করলে গোসল সিদ্ধ হবে না। গোসলে সুন্নত ছয়টিঃ- দুই হাত ধোয়া শরীরের নাপাকি ধুয়ে ফেলা লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলা সর্বশরীর তিনবার ধোয়া অজু করা গোসল শেষ হলে অন্য স্থানে গিয়ে পা ধোয়া। গোসল করিবার প্রণালীঃ- প্রথমত নিয়েত করতে হবে, তারপর উভয় হাত কব্জী পর্যন্ত তিনবার ধুতে হবে,তারপর লজ্জাস্থান ধুতে হবে।শরীরের অপর কোন জায়গায় কোনপ্রকার নাপাকী থাকলে তা ধুয়ে ফেলতে হবে।তারপর অজু করতে হবে কিন্তু পা ধোওয়ার আবশ্যকতা নেই। তারপর ডান ও বাম কাঁধে তিনবার পানি ঢালতে হবে।তারপর...

মহররম কি? কেনো পালন করা হয়? আশুরার গুরুত্ব

ছবি
  মহররম কি? কেনো পালন করা হয়? আশুরার গুরুত্ব ***মহররম আরবী বৎসরের প্রথম মাস। মহররম মাস কেন পালন করা হয়? মহররম মাসের অসংখ্য ফজিলত রয়েছে নিম্নে কিছু আলোচনা করা হইল:- প্রথম স্থানীয় হওয়ার কারণে ইঁহার একটি স্বতন্ত্র মর্যাদা আছে। মহররম অর্থ নিষিদ্ধ বা সম্মানিত । অর্থাৎ এই মাসে ঝগড়া-বিবাদ বা যুদ্ধ-বিগ্রহ করা শরীয়তে নাজায়েয বা নিষিদ্ধ। এই জন্যই মহররম মাসকে পবিত্র মাস বলা হয়। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মাসে কখনও কাফের-মোশরেকদের সাথে ঝগড়া কলহে লিপ্ত হইতেন না। এমনকি অন্ধকার যুগের কাফেররাও সাধারণতঃ যুদ্ধ বিগ্রহ থেকে বিরত থাকিত | মহররমের বৈশিষ্ট্য সমূহের মধ্যে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হইল, দুনিয়ার বহু উল্লেখযোগ্য ঘটনা এই মাসে বিশেষ করিয়া ইয়াওমে আশুরা বা আশুরার দিন সংঘটিত হইয়াছে। এই জন্যই আশুরার অনেক ফজিলত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত । এই মাসের ১০ তারিখে অর্থাৎ আশুরার দিন আল্লাহ তা’য়ালা আকাশ,পাহাড়-পর্বত, সমুদ্র, লাওহ্-কলম ইত্যাদি সৃষ্টি করিয়াছেন। হযরত আদম(আঃ) কে এই দিন সৃষ্টি করিয়াছেন ও বেহেশতে প্রবেশ করাইয়াছেন এবং এই দিনই তাঁহার দোয়া কবুল করিয়া গুনাহ ক্ষমা করিয়াছেন। হযরত ইব্র...